
স্টাফ রিপোর্ট দৈনিক সমকন্ঠ :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ৩নং সগুনা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত সান্দুরিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা এস,এম, আব্দুর রাজ্জাক এর বড় ভাই মরহুম আমজাদ হোসেন এর ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজুর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রোনদিত ভাবে সিরাজগঞ্জ কোর্টে হয়রানি মুলক সাতধারা মামলা দায়ের করেছেন একই গ্রামের মোকছেদের পুত্র মোঃ মোক্তার হোসেন নামের একজন লেদ মেকার।
ঘটনার সত্যতা উৎঘাটনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়া জানা যায় যে,দীর্ঘ প্রায় ২ মাস পূর্বে একটি গরু হারানোর ঘটনা ঘটে উক্ত মোক্তার হোসেনে।উক্ত গরু হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্দেহ মুলক ভাবে উক্ত গ্রামের মহির উদ্দিন এর ছেলে মোঃ বাবলু হোসেন সহ আরো ৫ জনের নামে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থানায় অভিযোগ করেন এবং কোর্টে মামলা দায়ের করেন।মামলার আসামীগন সুষ্ঠু বিচারের জন্য অত্র গ্রামের প্রধান মাতবর এর নিকট বিষয়টি অভিহিত করেন।
উক্ত মামলার বাদী মোঃ মোক্তার হোসেন একজন দাঙ্গাবাজ, মামলাবাজ এবং খারাপ স্বভাবের লোক হওয়ার তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয় বলে নাম প্রকাশে অনেকেই জানিয়েছেন, একাধিক লোকজন বলেছেন মোঃ মোক্তার হোসেন প্রতিনিয়ত মধ্য রাতের দিকে তার গরুকে সড়কের পাশে ছড়ে দিয়ে কাঁচা ঘাস খাওয়াইত।বেশিরভাগ লোকজনই বলেছেন,মোঃ মোক্তার হোসেন নিজের গরু রাতের আঁধারে সুযোগ বুঝে বিক্রি করে দিয়েছে এবং সুপরিকল্পিত ভাবে গ্রামের কিছু নিরিহ লোক জন কে হয়রানির স্বীকার করছেন বলে আলোচনা সমালোচনার ঝর উঠেছে এবং উক্ত বিষয়টি নিয়ে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।যে কোন সময় বড় ধরনের কোন অঘটন ঘটে যেতে পারে বলে অনেকেই ধারনা করছেন।উক্ত বিষয়টি গ্রামের সচেতন মহল জানার পরপরই মামলার বাদী মোঃ মোক্তার হোসেন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,"আমার গঅরু হারাইছে,তাই আমি সন্দেহ মুলক ভাবে উক্ত আসামিদের নামে মামলা দায়ের করেছি।তিনি আরো বলেন যে,এই মামলার আসামীদের পক্ষে যেই কথা বলবে আমি তারই বিরুদ্ধে উল্লেখিত আসামীদের সঙ্গে তাকেও আসামী করে হয়রানির স্বীকার করতে বাধ্য হব।
এমতাবস্থায় আসামী পক্ষের লোকজন অসহায় হয়ে শান্তির জন্য গ্রামের যুবসমাজের উপর বিষয়টি সমাধান করার লক্ষে গ্রামের পার্টি অফিসে উপস্থিত লোকজনের নিকট বিষয়টি সমাধানের জন্য মৌখিক ভাবে আবেদন করেন।বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নেন অত্রগ্রামের যুবসমাজের আইকন বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বিপ্লবী সাবেক ছাত্রনেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বাংলাদেশের মমতাময়ী মাতা সফল রাষ্ট্র নাশক ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার স্মার্ট বাংলাদেশের আবিষ্কারক বাংলাদেশের ১৮কোটি মানুষের শেষ ঠিকানা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তৃনমুল পর্যায়ের জনপ্রিয় নেতা মেঃ রফিকুল ইসলাম রাজু বিষয়টি আমলে নিয়ে মামলার বাদীকে বলেন যে, তুমি যে মামলাটি করেছ এবং যাদেরকে স্বাক্ষী হিসাবে নাম দিয়েছো তারা কি দেখেছে যে তোমার গরুটি,মোঃ রাজন, মোঃ আলটু মোঃ বাবলু রাতের আঁধারে এসে নিয়ে গেছে?তোমার স্বাক্ষীগন কি দেখেছে যে,সন্দেহ ভাজন আসামী গন তোমার গরুটি রাতের আঁধারে নিয়েগেছে?প্রতিউত্তরে বাদী মোঃ মোক্তার হোসেন অযথাই যুব নতা মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজুর উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং বলেন যে, আপনি পক্ষ পাতিত্ত করছেন কেন?আমি আপনার বিরুদ্ধে আইনের আস্রয় নেব,আপনাকে দেখে নেব এবং মামলা দায়ের করবো।"এই বলে চলে যান এবং পরবর্তীতে সত্যি সত্যিই ৬ নাম্বার আসামি হিসাবে সাত ধরা মামলাটিতে মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজুর নাম লিপিবদ্ধ করেন বলে অনেকেই জানিয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের সাক্ষীদের জিজ্ঞেস করলে সকল সাক্ষীগন বলেন,"অন্য আসামীদের নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না,তবে এই মামলায় মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজু কে অযথাই হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই হয়ত বাদী কারে প্ররোচনায় নাম দিয়েছে।" আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।সাক্ষীগন বলেন, আমাদের অযথাই উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে নাম দিয়েছে,আসলেই হলফ করে বলতে পারি আমরা এই মামলা দায়ের সম্পর্কে কিছুই জানিনা।"
উক্ত মামলা থেকে মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজুর নাম বাদ দেওয়ার জোড়ালো দাবি জানিয়েছেন গ্রামের সাধারণ জনগণ সহ সকল সচেতন। অপরদিকে মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজুর পক্ষে তার পরিবারের লোকজন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মানহানি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে সুত্রমতে জানাগেছে।এই বিষয়ে মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজু সহ তার পরিবারের লোক জন বলেছেন, আমরা আমাদের গ্রামের লোকজনদের প্রতি ভীষণ ভাবে শ্রদ্ধা শীল। আমরা গ্রামের প্রধান মাতবর সহ সর্বস্তরের জনগণ কে বিষয়টি অভিহিত করেছি।আমরা বিশ্বাস করি যে, আমাদের গ্রানের লোকজন অবশ্যই এর তীব্র প্রতিবাদ করবেন এবং ন্যায়ের পক্ষেই কথা বলবেন,ইনশাআল্লাহ।এই বিষয় নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই। আইনের জবাব অবশ্যই আইনের মাধ্যমে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।
