
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকার দোহার এলাকা থেকে র্যাংগস ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সাবেক মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার (MIO), এবং বর্তমান শরিফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এর রানিং মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার(MIO) মোঃ আকবর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সুত্রমতে জানা যায়,বাংলাদেশের সুনামধন্য ঔষধ কোম্পানি র্যাংগস ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এ চাকুরী করা কালিন অবস্থায় প্রায় ২ লাখ টাকা আত্মসাত করে পালিয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে পালিয়ে থাকেন।
সূত্রের দাবি,র্যাংগস ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থের হিসাব নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার পর মোঃ আকবর হোসেন হঠাৎ করে আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার দোহার এলাকায় শরিফ ফার্মাসিউরুক্যালস লিমিটেড নামক একটি ওষুধ কোম্পানিতে ভীষণ সুকৌশলে চাকরি করে যাচ্ছিলেন বলে একাধিক সুত্রে নিশ্চিত হন ।
র্যাংগস ফার্মাসিউটিক্যালসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি,দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এমনকি নিজের অবস্থান সম্পর্কেও বিভিন্ন সময়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার আদালতে মামলার পর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তবে মামলার নম্বর,আদালতের আদেশ ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নথি থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সূত্র জানায়,২৫ আগস্ট ২০২৬ দিনব্যাপী অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তৎপরতার পর দোহার থানা পুলিশের সহযোগিতায় তার কর্মস্থলেই শরিফ ফার্মার দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মোঃ আকবর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দোহার থানা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী,গ্রেপ্তারের পর সাভার থানার পুলিশের একটি দল দোহার থানায় গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরে তাকে সাভার থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়,পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। র্যাংগস ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের একজন কর্মকর্তা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো ধরনের সহযোগিতা করেননি। তার অবস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং অভিযোগের আইনগত নিষ্পত্তির জন্য তাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনাই আমাদের লক্ষ্য ছিল।”
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের অর্থ ও সম্পদের বিষয়ে কর্মরত সব প্রতিনিধিকে দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অর্থনৈতিক অসঙ্গতি দেখা দিলে তা আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
