• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশের কারাগারে মৃত্যু,দীর্ঘদিন আটক: এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের যেসব নেতার নাম উঠে এসেছে র‍্যাংগস ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ এর সাবেক MIO মোঃ আকবর হোসেন কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ মামলায় গ্রেফতার হয়ে শ্রিঘরে বন্দী! চরবাগডাঙ্গায় বিএনপি নেতা আজিজুলের অফিস-বাড়িতে ভাঙচুর,লুটপাটের অভিযোগ স্কুলের বাথরুমে হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় দশম শ্রেণির ছাত্রী উদ্ধার! আয়াসই সেই ভুয়া চিকিৎসক খুনের মামলার আসল আসামী উজ্জল! বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান তানোরে কুটুম বাড়ি এগ্রো রিসোর্ট এলাকা ঘুরে দেখলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির কারনে সাধারণ জনগণ বিপাকে! নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা বংলার সাধারণ অসহায় মানুষ বিদেশে পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের জেরে অগ্নিকাণ্ড

ডিসেম্বরের মধ্য দেশে ফেরার ঘোষণা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার :যা বলছে সরকার,বিএনপি,জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ 

দৈনিক সমকন্ঠ রিপোর্টার / ৭৪ Time View
Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ডিসেম্বরের মধ্য দেশে ফেরার ঘোষণা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার :যা বলছে সরকার,বিএনপি,জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ

#

ছবি: সংগৃহীত

News View Page Image Down 730x90

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তার এ ঘোষণাকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার বলছে, পুরো বিষয়টি আইনের আওতায় রয়েছে এবং আদালতের নির্দেশনা মেনেই দেখা হচ্ছে।

ক্ষমতাসীন বিএনপির বক্তব্য, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়াই এখন মুখ্য এবং আদালতই তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বলছে, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর করতে হবে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পেছনে ‘অন্তর্নিহিত রহস্য ও ষড়যন্ত্র’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছে।

গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টার টেলিফোন সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বরের দিকে তিনি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন।

রয়টার্সের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সরাসরি সাক্ষাৎকার দিলেন শেখ হাসিনা। প্রতিবেদনে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে দেশে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দুই বছর আগে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিলেও এখন তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হতে চান।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে কয়েক মাস ধরেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ–সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়েছে। গত ২৮ জুন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও তিনি চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। গত সপ্তাহে আওয়ামী লীগের কয়েকটি অভ্যন্তরীণ অনলাইন সভার পর দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

শেখ হাসিনার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকার সম্পর্কে শুক্রবার প্রথম আলো জানতে চাইলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “শেখ হাসিনার পুরো বিষয়টি আইনের আওতায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।” তিনি বলেন, “দেশের গণমাধ্যম আদালতের নিষেধাজ্ঞা সম্মানের চোখে দেখবে বলে আমি মনে করি।” একই সঙ্গে তার ভাষ্য, “শেখ হাসিনার বক্তব্য নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী বিষয়। সরকার পুরো বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতেই দেখছে।”

সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নিয়েও বক্তব্য এসেছে। গত বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের আদালত একজনকে সাজা দিয়েছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামি, যিনি বাংলাদেশে বহু অন্যায়, অত্যাচার ও কুকর্ম করে বিদেশে পালিয়ে আছেন। তো এখানে শেখ হাসিনা কী বলছে, না বলছে—ওনার বক্তব্য তো এখানে প্রাসঙ্গিক না, একেবারে প্রাসঙ্গিক না।”

একই অনুষ্ঠানে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সরকার ভারতের সরকারের সঙ্গে, ইন্টেরিমের সময় যে যোগাযোগটা শুরু হয়েছে, সেই কূটনৈতিক চ্যানেলে সেটা চলমান আছে। ওই প্রপার চ্যানেলে (যথাযথ মাধ্যমে) যখন বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় বা একজন আসামিকে যখন ফেরত আনা হয়, যেই প্রটোকল আছে, যে নর্মস (রীতিনীতি) আছে, সে অনুযায়ী ওনাকে এনে এখানে বিচার করা হবে।”

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, “শেখ হাসিনাকে ফেরত এনে বিচার করা বাংলাদেশের জনগণ চায়। এখানে যে অন্যায়গুলো হয়েছে, যেই দুর্নীতি হয়েছে, খুন-গুম হয়েছে, সেগুলোর একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ বিচার দেশের মাটিতে হবে।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “বাংলাদেশে রায় হয়ে গিয়েছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।”

তিনি আরও বলেন, “আজকে একটা ইন্টারভিউয়ে আমরা দেখেছি যে ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। দেশ তো অলরেডি ১৬ বছরের ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই দেশে ফিরবেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।”

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রক্রিয়া নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “এটা তো শেখ হাসিনা ঠিক করবেন না, তিনি কীভাবে আসবেন। তিনি কাদেরকে নিয়ে আসবেন, সারেন্ডার করবেন কি করবেন না—এটা ঠিক করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। বাংলাদেশ সরকার এটা নিয়ে কথা বলবে দিল্লির সঙ্গে, এখানে আর কোনো পক্ষ নাই। ফলে এটা সরকার ঠিক করবে—তাকে কখন আনবে, কীভাবে আনবে এবং কীভাবে বিচারের রায় কার্যকর করবে। সকল প্রস্তুতি নিয়েই তাকে আনতে হবে।”

বিএনপির পক্ষ থেকেও শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া এসেছে। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় বলেন, “গণভবন দখলের মতো ঘটনা ইতিহাসে বিরল, যা জনগণের চূড়ান্ত অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ। তাই বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনাকে আর কখনোই গ্রহণ করবে না। তবে এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাযজ্ঞের একটি মামলায় বিচার শেষে ঢাকায় আদালতে ফাঁসির রায় হয়েছে। আরও অনেক হত্যা মামলায় আদালতে তার বিচার চলছে।” তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার অপরাধের ব্যাপারে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে।”

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, “শেখ হাসিনা বা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতারা দেশে ফিরবেন কী, ফিরবেন না, বা তারা কী করবেন—সেটা তাদের বিষয়, তাদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়।” তবে তিনি যোগ করেন, “জুলাই আন্দোলনে উনি যে হত্যার মহাযজ্ঞ চালিয়েছেন, শিশু-কিশোরদেরও হত্যা করেছেন। সেই হত্যাযজ্ঞের বিচার নিশ্চিত হোক, সেটা জনগণ চায়। আদালতে বিচার চলছে। ফলে অপরাধের ব্যাপারে বিচার হবে এবং আদালত সিদ্ধান্ত নেবে।”

শেখ হাসিনার বক্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী। বর্তমানে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে থাকা দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবিসি বাংলাকে বলেন, “ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বক্তব্যের পেছনে একটা অন্তর্নিহিত রহস্য এবং ষড়যন্ত্র যেমন থাকতে পারে, সেখানে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিরও কেউ কেউ এ ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।”

অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের অভ্যন্তরের কোনো অংশ যে ওই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে নেই, এটা আমরা বিশ্বাস করি না।” জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, “যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কড়া কথা বলছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কোনো অংশ পরিকল্পিতভাবে কাজ করে থাকতে পারে।”

তবে তিনি একই সঙ্গে বলেন, “দেশে ফেরার বিষয়ে শেখ হাসিনা রয়টার্সকে সাক্ষাৎকারে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার বিস্তারিত দেখার পরে আমরা আমাদের দলের রাজনৈতিক বক্তব্য দেব।” আইনগত দৃষ্টিকোণ তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “দেশের কোনো মামলায় অভিযুক্ত বা সাজাপ্রাপ্ত কেউ যদি স্বেচ্ছায় নিজেকে আইনের কাছে সোপর্দ করতে চায়, সেটা সে করতে পারে।”

অন্যদিকে, সরকারের একটি অংশ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে—জামায়াতের এমন অভিযোগকে বিএনপি সরকারের একজন মন্ত্রী ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে মন্তব্য করেছেন।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেসব মামলার বিচার চলছে, তার পটভূমিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২৪ সালের ৫ জুন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন শুরু হয়। পরে ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে করা ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’ মন্তব্য ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

পরদিন ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ ওঠে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন। একই দিনে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকজন নিহত হন। এরপর আন্দোলন দ্রুত দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ওই আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রাণঘাতী অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে ভারতে অবস্থান করে তিনি এসব অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছেন।

জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে আন্দোলন দমনে পরিচালিত অভিযানে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হন।

রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে দুই বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর স্থিতিশীলতা ফেরানোর চেষ্টা চালানো বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে বিভাজন তীব্র হতে পারে। একই সঙ্গে তার প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নটি বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে উল্লেখযোগ্য টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা