নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।‘পহেলা বৈশাখ’ শুধু একটি দিন নয়,বরং এটি বাঙালির আত্মপরিচয়, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের প্রতীক। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় জানা যায়,মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে কৃষিকাজ ও রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সনের প্রচলন শুরু হয়, যা পরবর্তীতে বাঙালির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়।
প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ এলে গ্রাম থেকে শহর, দেশ থেকে প্রবাস—সবখানেই এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, লোকজ সংস্কৃতির নানা আয়োজন এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে বাঙালির শেকড়ের শক্তি ও সৌন্দর্য। এই উৎসব সকল ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে একত্রিত করে, গড়ে তোলে ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য বন্ধন।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে তাড়াশ, সিরাজগঞ্জের কৃতী সন্তান মোঃ রাফসান চৌধুরী জায়ান (পিতা: মোঃ রবিউল করিম রনি) সকলের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন, অফুরন্ত ভালোবাসা, ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি তার বার্তায় আত্মীয়-স্বজন, গ্রামবাসী, এলাকাবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাঙালি ও অবাঙালি মানুষের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।
তিনি বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের শিখিয়ে দেয় পুরাতন সব গ্লানি, হিংসা ও বিভেদ ভুলে গিয়ে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যেতে। এই নতুন বছর হোক সকল অশান্তি ও অন্যায়ের অবসানের সূচনা।”
তিনি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেন, যেন বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার সহিংসতা, সন্ত্রাস ও অশান্তি চিরতরে দূরীভূত হয় এবং দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে।
এছাড়াও তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন,বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিরাজ করুক শান্তি,সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির আলো, এবং দেশ এগিয়ে যাক উন্নয়ন ও মানবিকতার মহাসড়কে।