আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নেতাদের বৈঠকে বলেছেন- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা সব দলের অংশগ্রহণ চাই। প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ ভোটে যাকেই নৌকা দেওয়া হবে তাকে নিজগুণে জিতে আসতে হবে। কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। তিনি বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী আসন ধরে জরিপ চলছে। জরিপের আলোকে প্রার্থী বাছাই করা হবে। যাকে দিয়ে বিজয়ী হওয়া সম্ভব তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর এমন কথায়- আশাবাদী হয়ে উঠছে সিরাজগঞ্জ -৩ আসন রায়গঞ্জ, তাড়াশের সাধারণ জণগন। তারা মনে করেন- নিজগুণে যদি জিততে হয় তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কৃষিবিদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট এই আসনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে পারবেন। কারণ কৃষিবিদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট স্থানীয় তরুণ প্রজন্মের কাছে আওয়ামী লীগের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি হয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নিজেকে টেনে নিয়ে এসেছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। রায়গঞ্জ ও তাড়াশের সাবির্ক উন্নয়নও হচ্ছে তার হাত৷ ধরেই। তাই দলীয় কর্মী-সমর্থকসহ এলাকাবাসীর অধিক আগ্রহের কারণ- আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এমপি প্রার্থী হিসেবে কৃষিবিদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সুইটকে নৌকা প্রতীক দিলে বিজয় সুনিশ্চিত।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ-যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, এলাকাবাসীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার, কৃষকের বন্ধু হিসেবে কৃষিবিদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সুইটকেই আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায়। এ উপজেলার উঠতি ভোটারদের মতে কৃষিবিদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি ও পরে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হবার পর স্থানীয় রাজনীতিকে যেভাবে সুসংগঠিত করে সাজিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন সেখানে কৃষিবিদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সুইটের বিকল্প কোন প্রার্থী নাই।
এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা কৃষক লীগের নেতা কে, এম মনিরুজ্জামান মনি বলেন, পরম শ্রদ্ধেয় নেতা কৃষি বিদ আলহাজ্ব সাখাওয়াত হোসেন সুইট ভাই একজন ক্লিন ইমেজের প্রতিচ্ছবি, যাকে নিয়ে হাজারো তরুণ প্রজন্মো সপ্ন দেখেন, সাহসী, দক্ষ ও মেধাবী রাজনীতি বীদ,যার নেতৃত্বে তাড়াশ রায়গঞ্জ উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়ন এবং পৌর কৃষক লীগের কমিটি করা হয়েছে যার ফলে অনেকের চেয়ে জনপ্রিয়তার দিকদিয়ে এগিয়ে যার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাতকে শক্তিশালী করা হয়েছে যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। নেতা কৃষি ক্ষেত্রে অত্যান্ত মেধাবী হওয়ার জন্য এবং বাংলাদেশ কৃষক লী কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহীর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বরেন্দ্র বহুমুখী পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেন এই নেতা তারাশ, রায়গঞ্জ, সলঙ্গায় সর্বনিম্ন ৩০/৪০ হাজার একর জমি অনাবাধি থেকে আবাদি করেছেন যা বাংলাদেশের খাদ্য ঘাটতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিয় নেতাকে যদি সিরাজগঞ্জ ৬৪ দিনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন বিপুল ভোটের ব্যবধানে তাকে আমরা বিজয় করতে পারব বলে বিশ্বাস করি।