• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
প্রাচীন ঐতিহ্যের আলোকে নববর্ষ ১৪৩৩ শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় – রাফসান চৌধুরী।  শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ঔষধ কোম্পানির সকল কলিগদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ রবিউল করিম রবিন। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সমাজসেবক ও সাংবাদিক মোঃ রবিউল করিম রনি জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটকের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামীলীগ। নীতিনৈতিকতাহীন অর্থনির্ভর রাজনীতি দেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি:দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ। হ‍্যাস্নলো বারার ডেপুটি মেয়র মুজিবুর রহমান ঝুনু’র মৃত‍্যুতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র শোক প্রকাশ নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে ৪০তম ফোবানা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত। দেশের প্রথম ‘বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। রাজশাহী ও বগুড়ায় র‍্যাবের যৌথ অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূলহোতা জুয়েলসহ গ্রেফতার ৫। নিউইয়র্কে বিভিন্ন সংগঠনের ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালিত।

খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.): ইসলামের মানবতার দীপশিখা

স্টাফ রিপোর্ট :দৈনিক সমকন্ঠ / ২৬০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.): ইসলামের মানবতার দীপশিখা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ইসলামের ইতিহাসে যেসব আউলিয়ায়ে কেরাম মানবতা,প্রেম ও সহনশীলতার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে আলোর দিশা দেখিয়েছেন,তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)। উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে তার অবদান চিরস্মরণীয়।

 

খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.) আনুমানিক ১১৪১ খ্রিষ্টাব্দে বর্তমান ইরানের সিস্তান অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন চিশতিয়া তরিকার অন্যতম প্রধান সুফি সাধক।জ্ঞান, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন একজন পূর্ণাঙ্গ আল্লাহভীরু মানুষ হিসেবে।পরবর্তীতে তিনি ভারতের আজমিরে এসে মানবসেবাকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন।

 

তার জীবনদর্শনের মূল শিক্ষা ছিল—“মানুষের সেবা করাই আল্লাহর সেবার সর্বোত্তম পথ।”
তিনি কখনো শক্তি বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ইসলাম প্রচার করেননি; বরং ভালোবাসা,ধৈর্য,সহানুভূতি ও চরিত্রের মাধ্যমে মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন। তার এই উদার ও মানবিক আদর্শের কারণে অসংখ্য মানুষ ইসলামের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়।

খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)-এর দরগাহ আজও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মিলনস্থল। তার শিক্ষা ও আদর্শ যুগ যুগ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবতার বার্তা বহন করে চলেছে।

 

এমন একজন মহান আউলিয়ার স্মৃতি ও অবদান স্মরণ করা আমাদের নৈতিক ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব। তার মাজার বা স্মৃতিচিহ্ন ভাঙচুর কিংবা অবমাননা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতই নয়, বরং ইসলামের শান্তি, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষার পরিপন্থী।

 

আজকের এই অশান্ত ও বিভক্ত বিশ্বে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)-এর শিক্ষা আমাদের আরও বেশি প্রয়োজন—যেখানে ভালোবাসা,সহমর্মিতা ও মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা। তার আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

Share


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category