দৈনিক সমকন্ঠ স্টাফ রিপোর্ট :
পৈশাচিকতা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৫ বছরের শিশু তাবাসসুমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর এবার সেই ঘাতক আবু তাহেরকে নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছিল পুলিশ। নিজের পৈশাচিক অপরাধের কথা স্বীকার করে ঘাতক নিজেই দেখিয়েছে কীভাবে সে এই নারকীয় কাণ্ড ঘটিয়েছে।
তদন্তে সুত্রমতে যা জানা গেল, ঘাতক আবু তাহের শিশুটিকে ৫০০ টাকা দিয়ে কু-প্রস্তাব দিয়েছিল এবং চড় মেরেছিল। এই ঘটনার জের ধরেই সে শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
পরিত্যক্ত এক বাড়িতে নিয়ে ধারালো বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে শিশুটিকে অচেতন করে ফেলে সে।
শিশুটি যখন নিশ্বাস নিতে পারছিল না, তখন তাকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে স্কুলের সেফটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘাতক অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এই জঘন্য অপরাধ ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল।এলাকার মানুষ এই অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
তাঁরা বলছেন, “এমন নরপশুকে কুত্তা দিয়ে কামড়ানোর দরকার,যেন অন্য কেউ এমন কাজ করার আগে ১০০ বার ভাবে।” পুলিশ ঘাতকের দেখানো মতে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং পুরো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
সাধারন জনতার দাবি: যেই হাত দিয়ে ৫ বছরের একটি নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে,সেই হাতের কঠোরতম শাস্তি আমরা চাই। আবু তাহেরের মতো নরপশুদের যেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ফাঁসি কার্যকর করা হয় সমাজে এমন দানবদের কোনো জায়গা নেই।
প্রশাসনের প্রতি সাধারণ জনগণ এর অনুরোধ—তদন্ত যেন নিখুঁত হয় এবং এই পরিবারের বুক ফাটা আর্তনাদ যেন সঠিক বিচার পায়।
